ঢাকারবিবার , ১৩ জুলাই ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. খেলাধুলা
  3. চাকরির খবর
  4. জাতীয়
  5. তথ্য-প্রযুক্তি
  6. বিনোদন
  7. মুক্তমত
  8. রাজনীতি
  9. সম্পাদকীয়
  10. সারাদেশ
  11. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রীপুরে ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

নিউজ ডেস্ক
জুলাই ১৩, ২০২৫ ১২:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিশেষ প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোঁয়ায় পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।

উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগারদিঘী গ্রামের শাহ ভূঁইয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এলাকাবাসীর। পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো প্রকার ছাড়পত্র ছাড়াই এ ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে বলে দাবী করেন এলাকার শিক্ষিত সমাজ।

তারা জানায়, ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেয় না। মূলত কী তৈরি করা হয় এখানে তা আমরা কেউ জানি না। তবে ধারণা করছি স্টীল কিংবা থাই এলোমিনিয়াম জাতীয় ফ্যাক্টরি। একদিকে নিকষ বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় চোখ ও মুখ মরিচের মতো জ্বলে অন্যদিকে বিকট শব্দে কান ঝালাপালা হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন ভোক্তভোগী জানান, কালো ধোঁয়ায় আকাশ বাতাশ ছেয়ে যায়। চারিদিকে অন্ধকার হয়ে আসে। তাছাড়া ফ্যাক্টরির দক্ষিণপার্শ্বে ছোট্ট পাইপ দিয়ে তরল পানি ছাড়ে যা আমাদের জমিতে বৃষ্টির পানির সাথে মিশে। এতে ফসলের চরম ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

ফ্যাক্টরির কাছেই দক্ষিণপাশে সিংগারদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত। প্রতিদিন শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী ওই ফ্যাক্টরির পাড়ঘেষে পথ ধরেই স্কুলে যাওয়া আসা করে। সিংগারদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিটিএ কমিটির সহ সভাপতি মো. জুয়েল রানা জানান, আগে দিনের বেলাতেই কালো ধোঁয়া ছাড়তো। এতে শিক্ষার্থীসহ আমরা শ্বাসকষ্টে ছিলাম। তারপর আমি ফেসবুকে প্রতিবাদ জানাই। এখন দিনের বেলা ধোঁয়া ছাড়ে না, রাতে ছাড়ে। রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারি না। বিকট শব্দ হয়। কালো ধোঁয়ায় চোখ জ্বলে। আমরা এর থেকে দ্রুত পরিত্রাণ চাই।

শাহ ভূঁইয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাক্টরির মালিক শাহ জামাল জানান, আমরা ফ্যাক্টরি এখন পর্যন্ত ট্রায়ালে রাখছি। এখনো পুরোপুরি শুরু করিনি। পরিবেশ অধিদপ্তরে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছি।

গাজীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরেফিন বাদল জানান, শ্রীপুরের মাওনাতে শাহ ভূঁইয়া ইঞ্জিনিয়ারিং নামের কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড়পত্র দেয়া হয়নি। আবেদন করে থাকলে আমরা সরেজমিন সব কিছু দেখবো তারপর সিদ্ধান্ত নিবো। এর আগে তাদের ফ্যাক্টরি চললে জরিমানা বা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শ্রীপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অভিযান পরিচালনা করলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।